করোনা বিপর্যয়ে দাঁড়িয়ে আরও একবার সম্প্রীতির নজির দেখলেন নদিয়ার নবদ্বীপের মানুষ...
মন্দির থেকে চাল, আলু, চিড়ে ,ছাতু, বিস্কুটের প্যাকেট গেল মসজিদে। নদিয়ার নবদ্বীপ পুরসভা এলাকার তেঘড়িপাড়া ইদিলপুর মসজিদে ইমামের হাতে তো বটেই, সেখানকার ৬০ জন সংখ্যালঘু অসহায় মানুষের হাতেও এই সব শুকনো খাবার তুলে দিলেন স্থানীয় একটি বৈষ্ণব মন্দিরের কর্তারা। করোনা বিপর্যয়ে দাঁড়িয়ে আরও একবার সম্প্রীতির নজির দেখলেন নদিয়ার নবদ্বীপের মানুষ। বুধবার নবদ্বীপ বউবাজার চিন্তামনি কুঞ্জ আশ্রমের কর্তারা স্থানীয় তেঘড়িপাড়ার ইদিলপুর মসজিদের সঙ্গে যুক্ত ও বর্তমান বিপর্যয়ে অসহায় অবস্থার মধ্যে পড়া ৬০ জন মানুষের হাতে শুকনো খাবার পৌঁছে দেন। হাত ধোওয়ার জন্য সাবানও তুলে দেওয়া হয় তাঁদের হাতে। আর্জিলা বিবি, খুদু শেখ, রাজীব শেখ সহ স্থানীয় বাসিন্দারা এতে খুবই খুশি। আর ওই মসজিদের ইমাম মৌলানা দায়মূল হক এমন সৌজন্য পেয়ে বিশেষ আপ্লুত। তিনি বলেন, ‘জাতের ঊর্ধ্বে উঠে সবাই মিলে এভাবে একে অপরের পাশে দাঁড়ালে করোনাকে তাড়াতে পারব আমরা। এবিশ্বাস আছে।’
বৈষ্ণবীয় ওই আশ্রম এবং মসজিদ দুটোই নবদ্বীপ পুরসভা এলাকার মধ্যে। দূরত্ব বড়জোর দেড় কিমি। আশ্রমের সেবাইত কৃষ্ণেন্দু চক্রবর্তী জানান, আমরা আমাদের আশ্রম থেকে বিভিন্ন জায়গায় শুকনো খাবার বিলি করছি। এই মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অসংগঠিত কিছু শ্রমিক রয়েছেন বলে জানি। বিপদের দিনে আমাদের শহরের সেই মানুষের জন্য সামান্য সাহায্য পৌঁছে দিতে পেরে ভালো লাগছে।’
নবদ্বীপের পুরপ্রধান বিমানকৃষ্ণ সাহাও এদিন ছিলেন ওখানে। পুরপ্রধান বলেন, ‘মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্য নিজেই তো একসময় বুকে জড়িয়ে ধরেছিলেন চাঁদকাজী এবং যবন হরিদাসকে। বৈষ্ণব ধামের মানুষ তাঁকে অনুসরণ করে সংখ্যালঘু ভাইদের জন্য সামান্য একটু সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে সেই ধারাকে অটুট রাখছেন এটা খুবই প্রশংসার।’
এদিকে, বুধবারই করোনা মোকাবিলায় রাজ্য সরকারের আপৎকালীন ত্রাণ তহবিলে এক লক্ষ টাকা দান করল নদিয়ার কালীগঞ্জ থানার পাগলাচন্ডী মৎসজীবি সমবায় সমিতি। বুধবার দুপুরে কালীগঞ্জের বিডিও নাজির হুসেনের হাতে এক লক্ষ টাকার চেক তুলে দেন ওই সমবায় সমিতির পদস্থরা। এদিনই চাকদহের সিংহের হাট ও বাজার ব্যবসায়ী সমিতির তরফ থেকেও ওই তহবিলে ৫০ হাজার এক টাকা পাঠানো হয়।
বৈষ্ণবীয় ওই আশ্রম এবং মসজিদ দুটোই নবদ্বীপ পুরসভা এলাকার মধ্যে। দূরত্ব বড়জোর দেড় কিমি। আশ্রমের সেবাইত কৃষ্ণেন্দু চক্রবর্তী জানান, আমরা আমাদের আশ্রম থেকে বিভিন্ন জায়গায় শুকনো খাবার বিলি করছি। এই মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অসংগঠিত কিছু শ্রমিক রয়েছেন বলে জানি। বিপদের দিনে আমাদের শহরের সেই মানুষের জন্য সামান্য সাহায্য পৌঁছে দিতে পেরে ভালো লাগছে।’
নবদ্বীপের পুরপ্রধান বিমানকৃষ্ণ সাহাও এদিন ছিলেন ওখানে। পুরপ্রধান বলেন, ‘মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্য নিজেই তো একসময় বুকে জড়িয়ে ধরেছিলেন চাঁদকাজী এবং যবন হরিদাসকে। বৈষ্ণব ধামের মানুষ তাঁকে অনুসরণ করে সংখ্যালঘু ভাইদের জন্য সামান্য একটু সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে সেই ধারাকে অটুট রাখছেন এটা খুবই প্রশংসার।’
এদিকে, বুধবারই করোনা মোকাবিলায় রাজ্য সরকারের আপৎকালীন ত্রাণ তহবিলে এক লক্ষ টাকা দান করল নদিয়ার কালীগঞ্জ থানার পাগলাচন্ডী মৎসজীবি সমবায় সমিতি। বুধবার দুপুরে কালীগঞ্জের বিডিও নাজির হুসেনের হাতে এক লক্ষ টাকার চেক তুলে দেন ওই সমবায় সমিতির পদস্থরা। এদিনই চাকদহের সিংহের হাট ও বাজার ব্যবসায়ী সমিতির তরফ থেকেও ওই তহবিলে ৫০ হাজার এক টাকা পাঠানো হয়।
করোনা বিপর্যয়ে দাঁড়িয়ে আরও একবার সম্প্রীতির নজির দেখলেন নদিয়ার নবদ্বীপের মানুষ...
Reviewed by ARPAN SAHA
on
April 16, 2020
Rating:
Reviewed by ARPAN SAHA
on
April 16, 2020
Rating:
No comments: